মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:৩২ অপরাহ্ন

**যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থের বিষয়ে জড়িত হতে এবং পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না**

প্রতিনিধির নাম / ২১০ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থের বিষয় এবং ক্ষেত্রে জড়িত হতে এবং পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের মধ্যে বৈঠক সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্যাটেলের মন্তব্য এসেছে। সেই বৈঠকে, ডোভাল বলেছিলেন যে অন্যান্য দেশগুলি তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে এমন কোনও উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয় যা ভারতের জাতীয় স্বার্থকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

প্যাটেল বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডোভালের উদ্বেগকে গুরুত্ব সহকারে নেয়। যাইহোক, তিনি জোর দিয়েছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, এবং দুটি দেশ একটি উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বজায় রাখার জন্য সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করে।

প্যাটেল বলেন, “আমরা সম্মিলিতভাবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি এবং একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ, নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং স্থিতিস্থাপক বিশ্ব এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সহ) গড়ে তোলার জন্য আমাদের ভারতীয় অংশীদারদের সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

প্যাটেলকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে কংগ্রেসের 75 জন সদস্য রাষ্ট্রপতি বিডেনকে লেখা একটি চিঠি সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। চিঠিতে, আইনপ্রণেতারা মুসলিম ও সাংবাদিকদের প্রতি মোদির আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

প্যাটেল বলেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকারকে গুরুত্ব সহকারে নেয় এবং এটি নিয়মিত ভারতের সাথে তার উদ্বেগের বিষয়ে কথা বলে। তবে, তিনি এও বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে ভারত একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক এবং বহুত্ববাদী দেশ।

প্যাটেল বলেছেন, “আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাকৃতিক অংশীদার হিসাবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক এবং বহুত্ববাদী ভারতকে কল্পনা করি।”

প্যাটেলের মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। যাইহোক, প্যাটেলের মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে দুটি দেশ অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে এবং ভাগ করা স্বার্থকে এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

**উপরের ছাড়াও, এখানে আরও কিছু পয়েন্ট রয়েছে যা পুনঃলিখিত নিবন্ধে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:**

* প্যাটেলের মন্তব্য ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বিডেন প্রশাসনের ফোকাসকে প্রতিফলিত করে।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সহযোগিতার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং দুই দেশ সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলিতে ক্রমবর্ধমানভাবে একসঙ্গে কাজ করছে।
* ভারতে মানবাধিকার পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে এবং বিডেন প্রশাসন তার উদ্বেগের বিষয়ে সোচ্চার হয়েছে।
* যাইহোক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে একটি মূল্যবান অংশীদার হিসাবেও দেখে, এবং সম্ভবত দুটি দেশ তাদের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একসাথে কাজ চালিয়ে যাবে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Archives